Advertisement
Information

গুরু_পূর্নিমা কি ? কবে ? কি_লাভ?

গুরু পূর্ণিমার শুভক্ষণ পূর্ণিমা তিথি শুরু হবে ২৩ জুলাই ২০২১, শুক্রবার সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটে। শেষ হবে ২৪ জুলাই ২০২১, শনিবার সকাল ৮টা ০৬ মিনিটে।

👉গুরু শব্দটি সংস্কৃত, ‘গু’ এবং ‘রু’ এই দুটি শব্দ দ্বারা গঠিত। গু শব্দের অর্থ অন্ধকার বা অজ্ঞতা এবং রু শব্দের অর্থ আলো। অর্থাৎ যিনি অন্ধকার থেকে আলোয় নিয়ে যান তিনিই গুরু। মনের অন্ধকারকে দূর করে শিষ্যকে আলোর পথ দেখান গুরু। কোনও কোনও সময় এই পূর্ণিমা শ্রাবণ মাসে পড়ে যায়৷ বৌদ্ধ ধর্মেও গুরুপূর্ণিমার গুরুত্ব অসীম | বলা হয়, বোধিজ্ঞান লাভের পরে আষাঢ় মাসের পূর্ণিমায় সারনাথে প্রথম উপদেশ দেন গৌতম বুদ্ধ। আবার হিন্দু পুরাণে আছে শিবের মাহাত্ম্য। মহাদেব হলেন আদি গুরু। তাঁর প্রথম শিষ্য হলেন সপ্তর্ষির সাতজন ঋষি – অত্রি, বশিষ্ঠ, পুলহ, অঙ্গীরা, পুলস্থ্য, মরীচি এবং ক্রতু ( নাম নিয়ে মতভেদ আছে)। আদিযোগী শিব এই তিথিতে আদিগুরুতে রূপান্তরিত হন। তিনি এদিন ওই সাত ঋষিকে মহাজ্ঞান প্রদান করেন। তাই এই তিথি হল গুরুপূর্ণিমা।ভারতের অনেক জায়গায় গুরু পূর্ণিমাকে মহাঋষি বেদব্যাসের জন্মতিথি হিসেবেও মানা হয়। তিনি ছিলেন ঋষি পরাশর এবং মৎস্যগন্ধা সত্যবতীর সন্তান। জন্মের পরে তাঁকে পরিত্যাগ করেন জন্মদাত্রী সত্যবতী। এই সন্তানই মহাঋষিতে পরিণত হন। তিনি চতুর্বেদের সম্পাদনা ও পরিমার্জনা করেন, ১৮ টি পুরাণ ছাড়াও রচনা করেন মহাভারত এবং শ্রীমদ্ভগবৎ। বলা হয় আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিতেই জন্ম হয়েছিল ব্যাসের। নেপালে এই দিনটি শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন করা হয়৷

🌼গুরু পূর্ণিমায় সৃষ্টি হচ্ছে এই শুভযোগেরচলতি বছর গুরু পূর্ণিমায় বিষ্কুম্ভ যোগ সৃষ্টি হচ্ছে। সকাল ৬টা ১২ মিনিট পর্যন্ত এই যোগ থাকবে। তার পর ২৫ জুলাই প্রীতি যোগ থাকবে সকাল ৩টে ১৬ মিনিট পর্যন্ত। এর পর থাকবে আয়ুষ্মান যোগ। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে আয়ুষ্মান যোগ ও প্রীতি যোগ এক সঙ্গে সৃষ্টি হলে তা শুভ। এই দুই যোগে যে কাজ করা হোক না-কেন, তাতে সাফল্য লাভ করা যায়। তবে বৈদিক জ্যোতিষে বিষ্কুম্ভ যোগকে শুভ যোগ হিসেবে গণ্য করা হয় না।

🌻পূর্ণিমায় গঙ্গা স্নানের লাভ- জ্যোতিষাচার্যদের মতে পূর্ণিমার দিনে গঙ্গা স্নান করলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও আয়ু বৃদ্ধি পায়। গঙ্গা স্নানের ফলে ত্বকের সমস্যা ও অ্যাস্থমার রোগও সেরে উঠতে পারে।

🌻বৈদিক মন্ত্র জপ- এদিন বৈদিক মন্ত্র জপ করলে ও বিষ্ণু সহস্ত্রানাম পাঠ করলে বিশেষ আশীর্বাদ লাভ করা যায়।

🌻পায়েস দানে মানসিক শান্তি- গুরু পূর্ণিমার দিনে রাতে পায়েস বানিয়ে দান করলে মানসিক শান্তি লাভ করা যায়। এর ফলে চন্দ্র দোষও দূর হয়।

🌻বট গাছের পুজো- ঋষি যাজ্ঞবল্ক্যের আশীর্বাদে বৃক্ষরাজ (বট) জীবনদান লাভ করেছিলেন। তাই গুরু পূর্ণিমার দিনে বট গাছের পুজো করা হয়।তথ্য সংগ্রহ- এই সময় নিউজ পেপার

Rahul

The Largest eBooks | Information | Results | Routine | Quiz and exam question Collection. Joshbangla.com – Discover thousands of unique books And magazines. We are constantly updating daily, along with the best file available here.

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

3 × 1 =

Back to top button

Adblock Detected

Adblock Detected !!